1. info@voicectg.com : Voice Ctg :
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ২ – ভয়েস চট্টগ্রাম ন্যাটো-রাশিয়া পারমাণবিক যুদ্ধে প্রথম ঘণ্টায় যা হতে পারে। কক্সবাজারে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলে ওঠা তরুণীর মৃত্যু। আকাশে ওড়ার ১৫ মিনিটের মাথায় নভোএয়ারের জরুরি অবতরণ। এবার ঘুমধুমের টমটম চালক আনিসের ঝুড়িতে মিললো ৬১১২ পিস ইয়াবা। ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন দিবস -তথ্যমন্ত্রী। বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন মুস্তাফার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। আওয়ামীলীগের মাঠজরীপে আছহাব উদ্দিন মেম্বার আবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে। মেয়ে তুমি জম্মেই অভিশপ্ত – লেখক: বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ কাজল দাশ, সম্পাদক ভয়েস চট্টগ্রাম উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইয়াবাসহ এক নারী মাদককারবারি আটক।

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের আজ ১৫২ তম জন্মবার্ষিকী।

রিপন শান উপদেষ্টা সম্পাদক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
আজ ২২ এপ্রিল । আজ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ  লেনিনের ১৫২তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৭০ সালের এইদিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ভ.ই লেনিন অক্টোবর বিপ্লব এবং মহান নভেম্বর বিপ্লবে বলশেভিকদের প্রধান নেতা ছিলেন।
কমরেড লেনিনকে বিংশ শতকের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বব্যাপী তিনি বিতর্কিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবেও পরিগণিত। তাঁর সমর্থকেরা তাঁকে গণমানুষের অধিকার আদায়ে যোদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করেন। অপরদিকে তাঁর বিরুদ্ধবাদীরা তাঁকে স্বৈরাচার শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন এবং গৃহযুদ্ধের প্রশ্রয়দাতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী হিসেবে বিবেচনা করেন। তথাপি সোভিয়েত ইউনিয়নের জনক হিসেবে তিনি বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। এছাড়া মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবেও তিনি বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য। লেনিন আন্তর্জাতিক সাম্যবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ।
ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন ১৮৭০ সালে ২২ এপ্রিল জার  শাসিত রাশিয়ার সিমবির্স্ক শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ। ভল্গা নদীর তীরবর্তী সিমবির্স্ক নামক ছোট শহরটি রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে ১,৫০০ মাইল দুরত্বে অবস্থিত ছিল। ভ্লাদিমির ইলিচের পিতা ল্যা নিকোলয়েভিচ্ উলিয়ানভ ছিলেন একজন বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং গণতন্ত্রবাদের কট্টর সমর্থক। তাঁর মা মারিয়া আলেক্সান্ড্রাভনা উলিয়ানভা প্রথিতযশা চিকিৎসকের বিদুষী কন্যা এবং বিশিষ্ট শিক্ষিকা। পিতামাতার বিচার বিবেচনা লেনিন এবং তাঁর ভাইবোনদের মধ্যে গভীর ভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল। তাঁর দাদা আলেক্সান্ডারকে জার হত্যার ষড়যন্ত্রের অপরাধে ফাঁসি দেওয়া হয়। বিপ্লবী অ্যানা ইলিচনিনা ছিলেন লেনিনের বোন এবং সহযোদ্ধা।
১৮৮৬ সালে ভ্লাদিমির ইলিচের পিতৃ বিয়োগ হলে তাঁর মায়ের ওপর সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব এসে পড়ে। সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে ১৮৮৭ সালে লেনিন কাজান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। তখন ছাত্রদের বিপ্লবী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে  বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে বহিস্কার করে। ১৮৮৯ সালে তিনি সামারা যান এবং স্থানীয় মার্ক্সবাদীদের নিয়ে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। ১৮৯১ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল’ পাস করে সামারাতে আইন ব্যবসা শুরু করেন। এরপর সেন্ট পিটার্সবার্গ চলে আসেন এবং দ্রুত তিনি সেখানকার  মার্কসবাদীদের অবিসংবাদি নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এখানেই লেনিন ক্রুপস্কায়া-র সাথে পরিচিত হন। ক্রুপস্কায়া শ্রমিক এবং কৃষক ষদের মধ্যে সাম্যবাদ  এবং বিপ্লবী আদর্শ প্রচারে ব্রতী ছিলেন।
১৮৯৫ সালের ডিসেম্বরে লেনিনসহ পার্টির বৃহৎ অংশই গ্রেফতার হয়। ভ্লাদিমিরকে রাখা হয় পিটাসবুর্গ জেলে। একক কক্ষে কাটান ১৪ মাসেরও বেশি, কিন্তু জেলের গরাদের আড়ালে থেকেও বিপ্লবী ক্রিয়াকলাপ অব্যাহত থাকে। বাইরের মুক্ত কমরেডদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, চিঠি, পুস্তিকা লিখে তা বাইরে পাঠাতেন। জেলে বসেই লিখে ফেলেন মার্কসবাদী পার্টির প্রথম খসড়া কর্মসূচী। বিপ্লবী দলিলপত্রে লেনিন লিখতেন বই ও পত্রপত্রিকার লাইনের ফাঁকে ফাঁকে দুধ দিয়ে। এমনিতে তা চোখে পড়তো না। কিন্তু কাগজটা আগুনে গরম করলেই তা বেশ ফুটে উঠত। বিপ্লবীরা এই পদ্ধতিতে প্রায়ই পত্রালাপ চালাতেন। রুটি দিয়ে দোয়াত বানাতেন লেনিন, তাতে দুধ থাকতো -কালির কাজ করতো দুধ। পরিদর্শক এলেই সেটি তিনি সঙ্গে সঙ্গে গিলে ফেলতেন। তাঁর একটি পত্রে লেনিন পরিহাস করে বলেছিলেন ‘ছয়টি দোয়াত আজ খাওয়া গেল’।
১৮৯৭ সালে তাঁকে পূর্ব সাইবেরিয়ার এক নির্জন স্থানে নির্বাসিত করা হয়। কিছুদিনের মধ্যে ক্রুপস্কায়াকেও সেখানে নির্বাসিত করা হয়। পরবর্তীকালে তাঁদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। নির্বাসনে থাকাকালীন লেনিন ৩০টি পুস্তক রচনা করেছিলেন। যার মধ্যে অন্যতম ছিল রাশিয়ায় পুঁজিবাদের বিকাশ, যা মার্কসবাদী দর্শনের ওপর ভিত্তি করে রাশিয়ার অর্থনীতি সম্বন্ধে বিচার-বিশ্লেষণ। এই সময়েই তিনি রাশিয়ার শোষিত শ্রমিক এবং সর্বহারা গোষ্ঠীকে নিয়ে একটি দল গঠনে উদ্যোগী হন।
আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট নকশা প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত